ভ্যাট রিটার্নে হয়রানি করলে কঠোর ব্যবস্থাকোম্পানি করদাতাদের রিটার্ন জমার সময় এক মাস বাড়লতামাক কর সংস্কারে ৮৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হবেকৃষিপণ্যে উৎসে কর অব্যাহতি চায় বাপাশিগগিরই ভ্যাট ও আয়কর রিফান্ড পাবেন ব্যবসায়ীরা
No icon

ঢাকা ট্যাকসেস বার এসোসিয়েশন নির্বাচনে কমিশন একপেশে ও পক্ষপাতিত্ব ভূমিকা রেখেছে

২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রেস বিবৃতি 

ঢাকা ট্যাকসেস বার এসোসিয়েশনের ২০২৬/২৭ কার্যবর্ষের নির্বাচনে গঠিত নির্বাচন কমিশন একপেশে ও পক্ষপাতিত্ব ভূমিকা রেখেছে উল্লেখ করে এক বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল সমর্থিত সবুজ প্যানেল। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ট্যাকসেসবার বিভাগের অফিস সম্পাদক এএমএম সালাহ উদ্দীন আইয়ুবী বিবৃতিতে জানান, গত ২২ ও ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ঢাকা ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশন নির্বাচনে “একপাক্ষিক নির্বাচন কমিশন গঠন’, ‘জাল ভোটের প্রচেষ্টা’, ‘নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘন’, ‘নির্বাচন কমিশন সদস্য কর্তৃক পক্ষপাতিত্ব ও পর্যবেক্ষকদের কাজে বাধা প্রদান’, ‘নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব বিস্তার” সহ ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপি হয়েছে। বিষয়টি এসোসিয়েশনের সদস্য এবং জনসম্মুখে উম্মোচিত করা অতীব জরুরি।  
 
জানা যায়, ঢাকা ট্যাকসেস বার এসোসিয়েশন নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ল’ইয়াস কাউন্সিল সমর্থিত সবুজ প্যানেল এবং এনসিপি সমর্থিত লাল-সবুজ প্যানেল অংশগ্রহণ করে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন গঠন প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল দলীয় প্রভাব বিস্তার করে এসোসিয়েশনের সকল নিয়মনীতি উপেক্ষা করেছে। তাঁরা অনেকটা নিজস্ব নিয়মে নির্বাচন সম্পন্ন করে। নির্বাচনের শুরু থেকে প্রতিটি অনিয়মের বিরুদ্ধে সবুজ প্যানেল মৌখিক এবং লিখিতভাবে অভিযোগ জানালেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি। তাই সবুজ প্যানেল মনে করে এটি একটি প্রহসনের নির্বাচন হয়েছে।