→ ঘরে বসেই মিলবে ট্রেড লাইসেন্স, আসছে অনলাইন পোর্টাল→ আয়কর না দিলে কি বিদ্যুৎ-গ্যাসের লাইন কেটে দেবে?→ ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ালো এনবিআর, শেষ সময় ২৫ অক্টোবর→ দুর্গাপূজার ছুটিতেও সীমিত আকারে চলবে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম→ এনবিআরের রাজস্ব আদায়ে ২৫,৪৯১ কোটি টাকা ঘাটতি

৮। আমদানীকৃত ও উৎপাদিত পণ্যের মূল্য ঘোষনা

আমদানীকৃত বা উৎপাদিত বা অন্য কোনভাবে সংগৃহীত পণ্য সরবরাহের পূর্বে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কর্মকর্তার নিকট একটি মূল্য ঘোষণা প্রদান করতে হয়। এই ঘোষণায় কিভাবে পণ্যের বিক্রয় মূল্য ধার্য্য করা হয়েছে তা মূল্যভিত্তিতে দেখানো হয়। মূল্যভিত্তি পরিবর্তিত হলে পুনরায় নূতন মূল্য ঘোষণা প্রদান করতে হয়।

স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্যের ক্ষেত্রে ফরম মূসক-১ এ মূল্য ঘোষণা প্রদান করতে হয়। ট্যারিফ মূল্যের পণ্যের ক্ষেত্রে ফরম মূসক-১ক তে উপকরণ-উৎপাদ সম্পর্ক বা সহগ ঘােষণা প্রদান করতে হয়। বাণিজ্যিক আমদানিকারক বা ব্যবসায়ীর ক্ষেত্রে ফরম মূসক-১খ তে মূল্য ঘোষণা প্রদান করতে হয়। অব্যাহতিপ্রাপ্ত এবং রপ্তানিকৃত বা রপ্তানিকৃত হিসেবে বিবেচিত পণ্যের ক্ষেত্রে ফরম মূসক-১গ তে উপকরণ-উৎপাদ সম্পর্ক বা সহগ ঘাষণা প্রদান করতে হয়। পণ্যের গায়ে/ ধারকে/পাত্রে/মোড়কে মুদ্রিত খুচরা মূল্যের দুই-তৃতীয়াংশ ভিত্তিতে ঘোষণা প্রদানের ক্ষেত্রে ফরম মূসক-১ঘ ব্যবহার করতে হয়। ঘােষিত মূল্য অনুমোদন সাপেক্ষে অনুমোদিত মূল্যের ওপর মূসক প্রদান করতে হয়। আমদানি পর্যায়ে শুল্কায়নযোগ্য মূল্যের সাথে কাস্টমস ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক এবং অন্যান্য শুল্ক ও কর (অগ্রীম আয়কর ব্যতীত) যোগ করে মূসকযোগ্য মূল্য নির্ধারণ করতে হয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য মূল্য ঘোষণা বিষয় পুস্তিকা-৪ দেখা যেতে পারে।