আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বিআইএন হালনাগাদের নির্দেশ এনবিআরেরভারতের ওপর ১০০ শতাংশ কর বসানোর কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্রআইএমএফের নতুন পরামর্শ : আয়কর-ভ্যাটে একক শনাক্তকরণ নম্বরঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ দরবৃদ্ধির শীর্ষে আর্গন ডেনিমসহঠাৎ কানাডার ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপালেন ট্রাম্প
No icon

অর্থবছর জুলাই-জুন থেকে এপ্রিল-মার্চ করার পরিকল্পনা সরকারের

দেশের প্রচলিত জুলাই-জুন অর্থবছর পরিবর্তন করে এপ্রিল-মার্চ করার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। শিগগিরই মন্ত্রিসভায় এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব তোলা হবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে টিবিএসকে জানান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছেন। বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট অনুবিভাগ অর্থবছর পরিবর্তনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আইন, বাজেট প্রণয়ন পদ্ধতি, কর ব্যবস্থা, সরকারি হিসাবরক্ষণ এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ব্যবস্থায় কী ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন হবে, তা পর্যালোচনা করছে।

পর্যালোচনা শেষে প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় তোলা হবে। মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিলে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংশোধন করে আগামী অর্থবছর থেকে নতুন সময়সীমা কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, চলতি অর্থবছর কীভাবে বা কোন মাসে শেষ করা হবে, তা নির্ধারণে সংশ্লিষ্টরা বিভিন্ন পর্যায়ের মতামত নেবেন। আগামী বছরের এপ্রিল, মে ও জুন—এই তিন মাসে দুই অর্থবছরের কাজ পাশাপাশি চলবে।

বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থবছর ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত। অর্থ আইনেও অর্থবছরকে এভাবেই সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

অর্থবছরের সময় এগিয়ে আনা হলে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের দীর্ঘসূত্রতা ও অপচয় কমবে বলে মনে করেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা জানান, এর আগে ২০১০ সালেও অর্থবছর পরিবর্তনের এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন হয়নি।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি আরও কার্যকরভাবে পর্যবেক্ষণ, প্রক্রিয়াগত বিলম্ব কমানো এবং বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে সব মন্ত্রণালয়ে ডিজিটাল ট্র্যাকিং ড্যাশবোর্ড চালু করতে যাচ্ছে সরকার।

বাস্তবায়ন অগ্রগতির ভিত্তিতে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোকে লাল, হলুদ ও সবুজ—এই তিন রঙের সংকেত ব্যবহার করে শ্রেণিবদ্ধ করবে ড্যাশবোর্ড। চলতি মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই ড্যাশবোর্ড উদ্বোধনের কথা রয়েছে।

একই সঙ্গে জবাবদিহিতা বাড়াতে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ ও নির্মাণকাজের রেট শিডিউলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।