অর্থবছরের সময়সীমা পরিবর্তন করলেই জুনের শেষদিকে তড়িঘড়ি ব্যয়, প্রকল্পে বিলম্ব, নিম্নমানের কাজ বা সরকারি অর্থের অপচয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হবে না বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।
তারা বলছেন, এর জন্য প্রকল্প অনুমোদন, দরপত্র প্রক্রিয়া, প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ, অর্থছাড়, ক্রয় ব্যবস্থাপনা এবং প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের পুরো ব্যবস্থায় সংস্কার প্রয়োজন।
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন টিবিএসকে বলেন, "অনেক দিন ধরেই বিভিন্ন পক্ষ অর্থবছরের সময় পরিবর্তনের দাবি করে আসছিল। এর কিছু বাস্তব কারণও রয়েছে।"
তিনি বলেন, "বিশেষ করে বর্তমান অর্থবছরের শেষ তিন মাস বাংলাদেশে বর্ষা মৌসুম। এতে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ব্যাহত হয়। অর্থবছরের শেষ মাস জুনে ঠিকাদাররা বিল পাওয়ার জন্য তড়িঘড়ি করে কাজ করেন। বর্ষার কারণে কাজের মান ঠিক থাকে না। এতে যেমন অর্থের অপচয় হয়, তেমনি প্রকল্প বাস্তবায়নে বাড়তি সময় লাগে। ফলে অর্থবছর এগিয়ে আনার উদ্যোগটি ইতিবাচক।"
ফাহমিদা খাতুন আরও বলেন, "অর্থবছরের সময় পরিবর্তন করলে অন্যান্য খাতেও কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। সেগুলো একবারে সম্ভব না হলেও ধাপে ধাপে অর্থবছরের সঙ্গে সমন্বয় করে নিতে হবে।"

