করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো উচিত ছিলকর-ভ্যাটের চাপ আরও বাড়বেবাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় ৩০ পণ্যে কমছে করভোগ্য পণ্যে শুল্ক কমানোর পরামর্শনতুন করের বোঝা না চাপানোর অনুরোধ ডিএসই’র
No icon

স্বর্ণালংকারে ভ্যাট কমানোর দাবি বাজুসের

বর্তমানে মূল্যস্ফীতি এবং ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় স্বর্ণের দরও বেড়েছে। এ প্রেক্ষাপটে স্বর্ণ, স্বর্ণের অলংকার এবং রুপা ও রুপার অলংকার বিক্রিতে আরোপিত ভ্যাট হার ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাট হার কমালে স্বর্ণ খাত থেকে সরকার বছরে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আহরণ করতে পারবে বলে মনে করে সংগঠনটি।গতকাল ঢাকায় বাজুস কার্যালয়ে আয়োজিত প্রাক-বাজেট (২০২৪-২৫) সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাজুসের সাধারণ সম্পাদক বাদল চন্দ্র রায়, উপদেষ্টা রুহুল আমিন রাসেল, সহসভাপতি মাসুদুর রহমান প্রমুখ।লিখিত বক্তব্যে বাজুসের কার্যনির্বাহী সদস্য আনোয়ার হোসেন ১৫টি দাবি তুলে ধরেন। এতে বলা হয়, দ্রুত ইএফডি মেশিন নিবন্ধন করা সব জুয়েলারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বিতরণ করতে হবে। অপরিশোধিত স্বর্ণ আকরিকের ক্ষেত্রে কাস্টমস ডিউটি ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে শর্তসাপেক্ষে আইআরসিধারী এবং ভ্যাট কমপ্লায়েন্ট শিল্পের ক্ষেত্রে পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে শুধু জুয়েলারি খাতের জন্য রেয়াতি হারে ১ শতাংশ নির্ধারণ করতে হবে। আংশিক পরিশোধিত স্বর্ণে ক্ষেত্রে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশের পরিবর্তে আইআরসিধারী এবং ভ্যাট কমপ্লায়েন্ট শিল্পের জন্য শুল্কহার ৫ শতাংশ করা দরকার।স্বর্ণ পরিশোধনাগার শিল্পে ও স্বর্ণ অলংকার তৈরির উদ্দেশ্যে আমদানি করা কাঁচামাল ও মেশিনারিজের ক্ষেত্রে সব ধরনের শুল্ক কর অব্যাহতি প্রদানসহ ১০ বছরের জন্য কর অবকাশ জরুরি। এ ছাড়া হীরা কাটিং এবং প্রক্রিয়াজাতকরণের উদ্দেশ্যে আমদানি করা রাফ ডায়মন্ডের কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করার দাবি জানায় বাজুস।