কর কর্মকর্তাদের সততা ও নৈতিকতার সঙ্গে জনগণের কল্যাণে কাজ করার আহ্বানঅডিটের আওতায় ৮৮ হাজার আয়কর রিটার্নশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভ্যাট অব্যাহতি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর কমাতে হবেআরও ৭২,৩৪১টি আয়কর রিটার্ন নিরীক্ষা হচ্ছেসিমে ভ্যাট ও ওটিটি সেবায় শুল্ক প্রত্যাহার চায় এমটব
No icon

টানা ১১ দিন দর পতনে অধিকাংশ শেয়ার

টানা ১১তম দিনে দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির দর কমেছে। তবে এর মধ্যেও গতকাল বেড়েছে বস্ত্র খাতের বেশির ভাগ কোম্পানির দর। মিশ্র ধারায় ছিল বীমা এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত। 
ডিএসইর মূল প্ল্যাটফর্মে গতকাল মঙ্গলবার ১৩০ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দর বৃদ্ধির বিপরীতে ২২৯টির দর কমেছে এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৩টির দর। এতে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১৪ পয়েন্ট হারিয়ে ৫৬৮৫ পয়েন্টে নেমেছে। আগের দিনগুলোর ধারাবাহিকতায় বেশির ভাগ শেয়ারের দর পতন দিয়ে সকাল ১০টায় দিনের লেনদেন শুরু হয়। আগে গ্রামীণফোন, স্কয়ার ফার্মা, বিএটিসহ অপেক্ষাকৃত ভালো শেয়ারগুলোর দর বাড়ছিল। গতকাল এগুলোর দর কমেছে। আবার টানা পতনের পর বেক্সিমকো ফার্মা ও বিকন ফার্মার দর বেড়েছে। লেনদেন শুরুর মাত্র ৮ মিনিটের মধ্যে ডিএসইএক্স ৬০ পয়েন্ট হারিয়ে ৫৬৪০ পয়েন্টে নামে। পরের সোয়া এক ঘণ্টায় ওই অবস্থান থেকে ৬৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫৭০৩ পয়েন্ট ছাড়ায়। 
সংশ্লিষ্টরা জানান, বিনিয়োগকারীরা এখনও বাজার পরিস্থিতি নিয়ে আশাবাদী হতে পারছেন না বলে মনে হচ্ছে। ফলে বিক্রির চাপ আছে। দর পতন চলতে থাকায় মার্জিন ঋণে কেনা শেয়ারে ফোর্স সেলও অব্যাহত আছে, যা বাজারকে নেতিবাচক ধারা থেকে বের হতে অন্তরায় হিসেবে কাজ করছে। ব্লক মার্কেটে ২১৫ কোটি টাকার লেনদেনে ভর করে ডিএসইতে ৭৫০ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ১৯২ কোটি টাকা বেশি।