এখন অনেক করদাতা শূন্য রিটার্ন দেন। তাঁদের অনেকেই নিজের আয়-ব্যয়ের সঠিক তথ্য না দিয়ে কর ফাঁকি দেওয়ার জন্য শূন্য রিটার্ন জমা দেন। কিন্তু মিথ্যা তথ্য দিয়ে শূন্য রিটার্ন দেওয়া হলে জেল ও জরিমানা হতে পারে।
এনবিআরের
শবে বরাত ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দীর্ঘ সরকারি ছুটি এবং এ-চালান সিস্টেমে সার্ভার জটিলতার কারণে জানুয়ারি-২০২৬ কর মেয়াদের অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ই-ভ্যাট সিস্টেমে
পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর উৎসে কর ১০ শতাংশ নয়, ৫ শতাংশ কাটতে হবে—এমন আদেশ দিয়ে বিষয়টি স্পষ্ট করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বিষয়টি স্পষ্ট করে আজ মঙ্গলবার এনবিআর থেকে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের
লঘু দণ্ড দিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআরের এক শীর্ষ কর্মকর্তার বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে, যিনি এনবিআর সংস্কার আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন।সম্প্রতি এনবিআর চেয়ারম্যান মো আবদুর রহমান খানের সই করা আদেশ থেকে জানা যায়, কর্মচারীদের দাপ্তরিক
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, আমরা বলছি, দুর্নীতি কমাতে চাই। ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের জন্য নিশ্চিত করতে চাই আধুনিক সেবা। কিন্তু কোনো কারণে বাংলাদেশে বিনিয়োগকারীরা এই আধুনিক সেবা পাচ্ছেন না।
সোমবার রাজধানীর
ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য ২০২৫-২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন অনলাইনে দাখিলের সময়সীমা আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নির্দিষ্ট কিছু বিভাগ ব্যতীত সকল করদাতার জন্য এবার ই-রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সোমবার
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দুই ভাগে বিভক্ত করার প্রক্রিয়া আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজটি শেষ না হলেও অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই






