আমদানি করা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, ওষুধ, ইলেকট্রনিকসসহ বিভিন্ন পণ্যে শুল্ক ও কর কমানোর সুফল ভোক্তারা পাচ্ছেন, নাকি মূলত ব্যবসায়ীরাই লাভবান হচ্ছেন—তা যাচাই করতে উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।গত ১৮ অক্টোবর বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) দুটি পৃথক বিভাগে বিভক্ত করার দীর্ঘদিনের আলোচিত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আগামী সংসদ অধিবেশনে একটি বিল উত্থাপন করতে পারে সরকার। এ লক্ষ্যে সরকার গঠিত একটি কমিটি প্রস্তাবিত পুনর্গঠনের বিষয়ে সুপারিশসংবলিত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।এনবিআর
বাংলাদেশে করদাতার পরিচয় শনাক্ত করা এবং আয়কর ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ব্যবসা পরিচালনা, গাড়ি নিবন্ধন, ব্যাংকঋণ গ্রহণসহ বিভিন্ন কাজের ক্ষেত্রে এই নম্বর প্রয়োজন হতে পারে। সরকারি ও বেসরকারি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে যে, ই-টিন (e-TIN) থাকা সত্ত্বেও আয়কর রিটার্ন জমা না দিলে সবার জন্যই ৫ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে। এই খবরে সাধারণ করদাতাদের অনেকের মধ্যেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে
মেসার্স উইলিয়ামস সোয়েটার্স লিমিটেডের বিরুদ্ধে প্রায় ১৩ কোটি টাকার শুল্ক–কর ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে। বন্ড ও ফ্রি অব কস্ট (এফওসি) সুবিধায় আমদানি করা কাঁচামাল স্থানীয় বাজারে বিক্রি এবং যন্ত্রপাতি আমদানিতে অনিয়মের মাধ্যমে এই রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া
টুথপিক ও স্টেইনলেস স্টিলের আড়ালে প্রসাধনী ও পার্টস আমদানির মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির ঘটনা উন্মোচন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) ও চট্টগ্রামের কাস্টম হাউস। গতকাল শনিবার এনবিআরের এক সংবাদ
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সরকারের রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতি হয়েছে। গত জুলাই ও আগস্ট মাসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮১ হাজার ৫৩ কোটি টাকা। এর বিপরীতে আদায় হয়েছে
বকেয়া রাজস্ব আদায়ে নানান উদ্যোগ নিয়েও আশানুরূপ সাড়া পাচ্ছে না জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতিতে কর বিরোধ মেটানো, বড় করদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈঠক এবং দীর্ঘদিনের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হলেও




