আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে নতুন করে করপোরেট কর আড়াই শতাংশ কমতে পারে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত নয়—এমন কোম্পানির জন্য এই হার কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হতে পারে। তবে শর্ত সাপেক্ষে এই সুবিধা দেওয়া হবে। শর্তের মধ্যে থাকবে
আবারও সাধারণ ক্ষমার (ট্যাক্স অ্যামনেস্টি) আওতায় কালোটাকা বা অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। অবশ্য এজন্য আগের চাইতে বেশি আয়কর দিতে হবে। আগে ছিল ১০ শতাংশ, আগামীতে দিতে হবে ১৫ শতাংশ। এ পদ্ধতিতে টাকা
রাজস্ব আয় বাড়াতে বিভিন্ন খাতে করছাড় ও অব্যাহতি কমিয়ে আনতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে আমদানিনির্ভর ভোগ্যপণ্যের ক্ষেত্রে করছাড় অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার গণভবনে আগামী অর্থবছরের
শর্তসাপেক্ষে করপোরেট কর কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে ঢালাওভাবে সব খাতে নয়, আগের মতো উৎপাদনশীল খাতের সঙ্গে জড়িত পুঁজিবাজারে তালিকাবহির্ভূত শিল্পের কর কমানো হচ্ছে। এ জাতীয় কোম্পানির কর সাড়ে ২৭.৫ শতাংশ থেকে
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্তের পাশাপাশি বর্তমান সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। এ বাস্তবতা মাথায় নিয়ে আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে চলতি অর্থবছরের চেয়ে অন্তত ৭০ হাজার কোটি টাকার বাড়তি রাজস্ব আহরণে
করযোগ্য আয় না থাকলেও রিটার্ন জমায় ন্যূনতম ২ হাজার টাকা কর দেওয়ার বাধ্যবাধকতা প্রস্তাব করা হয়েছিল চলতি অর্থবছরের বাজেটে। যদিও বিভিন্ন মহলের প্রবল সমালোচনার মুখে এ বিধান বাস্তবায়ন থেকে সরে আসে সরকার। আগামী (২০২৪-২৫) অর্থবছরের
প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় কর-জিডিপি অনুপাতে পিছিয়ে বাংলাদেশ। অর্থপাচার, কর ফাঁকি ও অবৈধ পুঁজিপ্রবাহ, কর আহরণে সনাতনী পদ্ধতি, করদাতাদের আস্থার সংকট এবং করছাড় নীতির কারণেই দেশে কাক্সিক্ষত রাজস্ব আহরণ হচ্ছে না। আর জিডিপি অনুপাতে রাজস্ব আহরণও
বাজেট নিয়ে এক আলোচনায় অর্থনীতিবিদরা বলছেন যে চলতি অর্থ বছরে দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। নতুন সরকারের আগামী বাজেট নিয়ে এই সংলাপের আয়োজন করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ বা সিপিডি। এবার বাজেটের আগে








