অপরিবর্তিত থাকছে কর্পোরেট কর
২০২৬-২৭ সালের প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের অর্থনীতিকে দীর্ঘ মেয়াদে আরো শক্তিশালী, প্রতিযোগিতাসক্ষম এবং প্রযুক্তিনির্ভর করতে কর ও শুল্ক কাঠামোয় বড় ধরনের রূপান্তরের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
ব্যবসায়িক পরিবেশ সহজ করতে এবং করদাতাদের হয়রানি কমাতে নীতিগত
মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও কৃষিপণ্যে কর ছাড়ের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে।
বৃহস্পতিবার বাজেট ঘোষণাকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, সরকার দেশের প্রতিটি ব্যক্তি ও পরিবারের জীবনযাত্রার মান উন্নতির
বিদেশি ঋণের সুদের ওপর উৎস করের হার ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশকালে এই প্রস্তাব করেন।অর্থমন্ত্রী বলেন, শিল্প স্থাপনে বিনিয়োগের
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে বাজেট প্রস্তাব পেশ করা শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। সেখানে করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করা হয়েছে।
৩০ নভেম্বর আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ দিন হলেও দফায় দফায় সময় বাড়ানো হয়। এবারের বাজেটে করা হয়েছে ভিন্ন নিয়ম। ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দিলে মিলবে ৫ শতাংশ প্রণোদনা। তবে
নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মোবাইল ফোন সিম কার্ডের ওপর বিদ্যমান ৩০০ টাকা কর সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করার প্রস্তাব থাকছে। এতে সিম আরও কম মূল্যে কেনা যাবে।বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করবেন
আসন্ন বাজেটে মোবাইল সিম কার্ডের ওপর বিদ্যমান ৩০০ টাকা কর সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করার প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে সরকার। দেশের সাধারণ মানুষের কাছে মোবাইল সেবা আরও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে আগামীকাল জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে
শিল্পোদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে করপোরেট করের হার আগামী পাঁচ বছর অপরিবর্তিত রাখার পরিকল্পনা করছে সরকার। একই সঙ্গে উৎসে করকে ন্যূনতম করের পরিবর্তে অগ্রিম হিসেবে বিবেচনা করা ও রপ্তানি প্রণোদনার ওপর কর কমানোর উদ্যোগ








