প্রায় দুই বছর ধরে দেশে চলছে ডলার সংকট। এ সংকট দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার নেপথ্যে বৈদেশিক মুদ্রা আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্যহীনতাকে দায়ী করা হচ্ছে। ডলার আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়ায় সংকট দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে। ডলার আয়-ব্যয়ের
ব্যাংকের ৯-৬ সুদহার তুলে নেওয়ার পর ঋণের সুদহার বেড়ে এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য নির্ধারিত ব্যাংকঋণের সুদের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৪৩ শতাংশ। গত জুনে সুদহারের ৯-৬ ব্যবস্থা উঠে যাওয়ার পর
বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনীতির আকার এক হাজার বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি, যার গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ আসে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ বা এফডিআই থেকে। কিন্তু এফডিআই বাড়াতে সরকারের নানা পদক্ষেপের পরও দিনে দিনে কমছে নতুন বিদেশি বিনিয়োগ।
ভাঙা পাথর আমদানির জন্য বেসরকারি ন্যাশনাল ব্যাংকে এলসি খুলেছিল ইনফ্রাটেক কনস্ট্রাকশন। এলসি খোলার সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনামতো গ্রাহকের কাছ থেকে শতভাগ নগদ মার্জিন হিসেবে দুই কোটি টাকা জমা নেয় ব্যাংক। তা নেওয়া হয় ব্যাংকেরই দেওয়া
গত বছরের শুরু থেকে সরকারের বিদেশি ঋণ গ্রহণ বাড়তে শুরু করেছিল। তবে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে এসে তা কিছুটা কমে যায়। সরকারের ঋণ গ্রহণ কমলেও বিদেশি ঋণ পরিশোধ বেড়ে গেছে। ঋণ পরিশোধ বেড়ে যাওয়ায় চাপ তৈরি
সরকারি খাতের সঞ্চয়পত্র ও সঞ্চয়বন্ড পর্যায়ক্রমে বন্ড মার্কেটে নিয়ে আসার সুপারিশ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে বন্ড মার্কেটে বহুমুখী ও আকর্ষণীয় মুনাফার উপকরণের সরবরাহ বাড়বে। একই সঙ্গে সঞ্চয়পত্র ও সঞ্চয়বন্ডে বিনিয়োগকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো উপকৃত
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার বলেছেন, নির্বাচনের অনিশ্চয়তা দূর হয়েছে, এটা স্বস্তির বিষয়। এখন পাইপলাইনে যেসব প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আটকে আছে, সেগুলো দ্রুত ছাড় হবে বলে আশা করা যায়। এ ছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নে
আর্থিক খাত সংস্কারে বিশ্বব্যাংক সহায়তা করবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে তাঁর সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুল্লায়ে সেক-এর সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন,








