উৎসে কর ধীরে ধীরে প্রত্যাহারের পরামর্শআয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় আরও এক মাস বাড়ছেরাজস্ব সক্ষমতা জোরদারে সমন্বিত ও কাঠামোগত কর সংস্কার জরুরি১০ খাতের টাকার হিসাব আয়কর রিটার্নে দেখাতে হয়আয়কর রিটার্ন জমার সময় আরও এক মাস বাড়ল
No icon

২৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৯৪ কোটি ডলার

চলতি মাস জানুয়ারির ২৮ দিনে ২৯৪ কোটি ৩০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবারত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। রেমিট্যান্স আসার এ ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে ফের রেমিট্যান্সে রেকর্ড গড়বে।বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, নতুন বছরের প্রথম মাস জানুয়ারির ২৮ দিনে ২৯৪ কোটি ৩০ লাখ (২.৯৪ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েঠেন প্রবাসীরা। প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে দেশীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ ৩৫ হাজার ৯০৫ কোটি টাকা।যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৯৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার বেশি এসেছে। গত বছরের জানুয়ারির প্রথম ২৮ দিনে এসেছিল ১৯৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। চলতি ২০২৫ ২৬ অর্থবছরে (২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত) রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি ২২ দশমিক ১০ শতাংশ।এর আগে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি (৩.২৯ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স আসার রেকর্ড রয়েছে। ২০২৪ ২৫ অর্থবছরের মার্চ মাসে ঈদকে কেন্দ্র করে এসেছিল সেটি। এখন পর্যন্ত এটিই দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসার রেকর্ড। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ডটিও ছিল গত বছরের মে মাসে ২৯৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স।

তবে সেই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসার রেকর্ডটিকে ভেঙে দিয়ে নতুন রেকর্ড তৈরি করলো সদ্য বিদায়ী বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। ওই সময়ে এসেছে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার বা প্রায় ৩৯ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকা।বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স এসেছে জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ৩৫ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার এবং ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার।প্রসঙ্গত, ২০২৪ ২৫ অর্থবছরের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল, যা ছিল ওই অর্থবছরের রেকর্ড। পুরো অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স দাঁড়ায় ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার আগের বছরের তুলনায় যা ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।