ভ্যাট ও অগ্রিম আয়করে অতি নির্ভরতা বাড়াচ্ছে মূল্যস্ফীতিমোটরসাইকেল চালকদের ওপর করারোপ উচিত নয় : ডা. শফিকুর রহমানব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খরচে বিদেশ যেতে পারবেন না কর্মকর্তারা৫,০০০ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যে ১ শতাংশ পর্যন্ত সম্পদ কর আরোপের পরিকল্পনা করছে সরকারএনবিআরের করজাল বিস্তারে নজর
No icon

গাড়িঋণের পরিমাণ বাড়িয়ে ৬০ লাখ টাকা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

গাড়িঋণের পরিমাণ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগে একটি গাড়ি কিনতে ব্যাংক সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা ঋণ দিতে পারত, তা বাড়িয়ে ৬০ লাখ টাকা করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি গাড়ির দামের কত শতাংশ পর্যন্ত ঋণ নেওয়া যাবে, সেই সীমাও বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে হাইব্রিড ও বৈদ্যুতিক গাড়ির জন্য ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এক প্রজ্ঞাপনে এই নির্দেশনা দিয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গাড়ির বর্তমান বাজারমূল্য বিবেচনায় এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে একটি গাড়ি কিনতে ব্যাংক সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা ঋণ দেওয়া হতো, তা বাড়িয়ে ৬০ লাখ টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া গাড়ির দামের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দিতে পারত ব্যাংকগুলো। এখন গাড়ির দামের ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবে। এ ছাড়া হাইব্রিড ও বৈদ্যুতিক গাড়ির জন্য ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বাকি টাকার জোগান ক্রেতাকেই দিতে হবে।

জানা গেছে, গাড়ির ঋণে এগিয়ে আছে আইপিডিসি, আইডিএলসি ও লঙ্কাবাংলা। এ ছাড়া ব্যাংকগুলোর মধ্যে ব্র্যাক, সিটি, ডাচ বাংলা ও ইস্টার্ন গাড়িঋণের শীর্ষে আছে। এখন ব্যাংকগুলোর গাড়িঋণের সুদহার সর্বোচ্চ ১২ শতাংশ, আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তা কিছুটা বেশি।

গাড়ি কিনতে ঋণ পাওয়া এখন আর কঠিন কিছু নয়। সহজ শর্ত ও প্রতিযোগিতামূলক সুদহার—এই উভয় কারণে গাড়ি এখন সচ্ছল গ্রাহকদের হাতের মুঠোয়। ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারলেও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যেকোনো অঙ্কের টাকা ঋণ দিতে পারে। গ্রাহকদের সুবিধা দিতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এখন নিজেরাই গাড়ি বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হচ্ছে। পুরোনো গাড়ি কিনতেও পাওয়া যাচ্ছে এই ঋণ।