করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো উচিত ছিলকর-ভ্যাটের চাপ আরও বাড়বেবাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় ৩০ পণ্যে কমছে করভোগ্য পণ্যে শুল্ক কমানোর পরামর্শনতুন করের বোঝা না চাপানোর অনুরোধ ডিএসই’র
No icon

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা

অর্থনীতির অস্থিরতার সময়ে নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যেই আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য প্রায় ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেটের প্রস্তাব সংসদে উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী । এ অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার (৬ জুন) জাতীয় সংসদে নিজের প্রথম বাজেট উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী। যেটি হবে আওয়ামী লীগ সরকারের ২৪তম বাজেট। চলতি অর্থবছরের তুলনায় আগামী অর্থবছরের বাজেটের আকার বেড়েছে ৪ দশমিক ৬২ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেট ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। আসন্ন অর্থবছরের বাজেটের প্রায় এক-তৃতীয়াংশের সংস্থান হবে দেশি-বিদেশি ঋণ থেকে।

বাজেট ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ৬০ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। সরকার বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নেবে ৯৫ লাখ ১০০ কোটি টাকা।  বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যয় হবে ৩৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। যদিও চলতি অর্থবছরে বিদেশি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ২ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। ঋণের ছাড় আগের তুলনায় খুব একটা না বাড়ায় এবার বিদেশি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা সামান্য কমানো হয়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে সব মিলিয়ে ৬২৮ কোটি ডলারের ঋণ দেশে এসেছে।

চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে এনবিআরের লক্ষ্যমাত্রা ৪ লাখ ৩০ হাজার কোটি থাকলেও সংশোধিত বাজেটে কমিয়ে ৪ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা করা হয়। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত অনুযায়ী আগামী অর্থবছরে সরকারের ৪ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকার কর রাজস্ব আদায় করার কথা। সে হিসেবে সরকারের ও আইএমএফের লক্ষ্য কাছাকাছিই থাকছে।

উল্লেখ্য, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের মূল বাজেটের আকার রয়েছে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। গত মাসে তা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ লাখ ১৪ হাজার ৪১৮ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে আকার কমানো হয়েছে ৬ দশমিক ২৩ শতাংশ। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ৪৭ হাজার ৩৬৭ কোটি টাকা।