পুরস্কার পাচ্ছে সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা ১২৯ প্রতিষ্ঠানসেরা ভ্যাটদাতার সম্মাননা দিচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডশুল্ক ও করের কারণে অসম প্রতিযোগিতায় পড়তে হচ্ছেআয়কর প্রদানের সক্ষম লোকের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১৬ লাখকর-সংক্রান্ত জ্ঞান উদ্যোক্তার জন্য অপরিহার্য
No icon

ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় এসেছে ৩ লাখ ৭১ হাজার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান

চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত দেশে ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় এসেছে তিন লাখ ৭১ হাজার ৯৩৪টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। তাদের মধ্যে ২ লাখ ৯০ হাজার ৮৯৯টি প্রতিষ্ঠান নিয়মিত ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করছে। অর্থাৎ ৭৮ দশমিক ২১ শতাংশ প্রতিষ্ঠান ভ্যাট রিটার্ন দিচ্ছে। গতকাল বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভ্যাট বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৯১ হাজার। এনবিআর কর্মকর্তারা জানান, ২০১৯ সালের জুলাই মাসে নতুন ভ্যাট আইন চালু হওয়ার পর ইলেকট্রনিক বিজনেস আইডেনটিফিকেশন নম্বর (ই-বিআইএন) নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়। ঐ নিবন্ধন ছাড়া ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়া যায় না। নিবন্ধন নিয়ে প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যবাধকতার রয়েছে।

বর্তমানে এনবিআরের অধীন সারা দেশে ভ্যাট কমিশনারেট অফিস রয়েছে ১২টি। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকায় পাঁচটি। রাজস্ব আদায় বাড়াতে নিবন্ধিত সব ভ্যাটযোগ্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলক অনলাইনের আওতায় আনা হচ্ছে। আগে প্রচলিত প্রথায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ভ্যাট নিবন্ধন দেওয়া হতো। যার অঙ্ক বা ডিজিট ছিল ১১। তিন বছর আগে অনলাইনে যে ভ্যাট নিবন্ধন চালু করা হয় তার ডিজিট ৯। এখন ৯ ডিজিটের নম্বরকে বলা হয় বিজনেস আইডেনটিফিকেশন নম্বর বা ই-বিআইএন। মাসিক ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করতে হলে ৯ ডিজিটের ই-বিআইএন অবশ্যই উল্লেখে করতে হয়। তা না হলে রিটার্ন গ্রহণ করা হয় না। রিটার্নের ওপর ভিত্তি করেই ভ্যাট আদায় করা হয়।

রিটার্নে প্রতিষ্ঠানের বিক্রি বা লেনদেনের তথ্য উল্লেখ করা হয়। এনবিআরের কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করছেন, অনলাইনে ভ্যাট প্রদানের হার বাড়ছে। চলতি অর্থবছর শেষ নাগাদ এই হার আরো বৃদ্ধি পাবে।নতুন ভ্যাট আইনে কোনো প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক লেনদেন ৫০ লাখ টাকার কম হলে ভ্যাট দিতে হয় না। তাই তাদের নিবন্ধনও নেওয়ার দরকার নেই। তবে বার্ষিক লেনদেন ৫০ লাখ টাকা থেকে ৩ কোটি টাকা হলে ৪ শতাংশ টার্নওভার কর দিতে হয়। বাকিদের ক্ষেত্রে নিয়মিত ভ্যাটহার প্রযোজ্য। টার্নওভার কর ও নিয়মিত ভ্যাট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে ই-বিআইএন নিতে হয়। কোনো প্রতিষ্ঠান ই-বিআইএন না নিলে তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা করার বিধান রাখা হয়েছে নতুন ভ্যাট আইনে। এ ছাড়া নিবন্ধন সনদ যথাযথভাবে প্রদর্শন না করলেও ১০ হাজার টাকা জরিমানার কথা বলা হয়েছে।