পুরস্কার পাচ্ছে সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা ১২৯ প্রতিষ্ঠানসেরা ভ্যাটদাতার সম্মাননা দিচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডশুল্ক ও করের কারণে অসম প্রতিযোগিতায় পড়তে হচ্ছেআয়কর প্রদানের সক্ষম লোকের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১৬ লাখকর-সংক্রান্ত জ্ঞান উদ্যোক্তার জন্য অপরিহার্য
No icon

রাশিয়ার ঋণের পরিমাণ ২৬ হাজার ১৭০ কোটি মার্কিন ডলার প্রায়

ঋণখেলাপি হলে আইনি ব্যবস্থা নেবে রাশিয়া । ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর পরে পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞায় রাশিয়ার অর্থনীতিই শুধু ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, দেশটি এখন ঋণখেলাপিতেও পরিণত হতে যাচ্ছে। অথচ ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের পর কখনোই বিদেশি ঋণ খেলাপি হতে হয়নি দেশটিকে। কিন্তু এবার যুদ্ধের কারণে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার জেরে রাশিয়ার ঋণখেলাপি হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় রুশ কর্তৃপক্ষ বলছে, যদি রাশিয়া বিদেশি ঋণ খেলাপি হয়, তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেবে দেশটি। রাশিয়ার অর্থমন্ত্রী আন্তন সিলুয়ানভ সম্প্রতি এ কথা বলেছেন। খবর রয়টার্সের
গত সোমবার সংবাদপত্রে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রুশ অর্থমন্ত্রী বলেন, অবশ্যই আমরা মামলা করব। কারণ, ঋণদাতাদের ঋণ ফেরত দিতে আমরা সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছি। এরপরও যদি আমরা ঋণ শোধ করতে না পারার কারণে খেলাপি হই, তাহলে আদালতের দ্বারস্থ হব। তবে কি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছে রাশিয়া এ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। এমনকি সমস্যা সমাধানে আইনি পদক্ষেপের বিকল্প কোনো ব্যবস্থা রয়েছে কি না, সে সম্পর্কেও কিছু বলেননি সিলুয়ানভ।


রাশিয়ার মোট ঋণের পরিমাণ প্রায় ২৬ হাজার ১৭০ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ২০ শতাংশই বিদেশি ঋণ। ৪ এপ্রিলের মধ্যে দুটি সার্বভৌম বন্ডের বিপরীতে প্রায় ৬ হাজার ৪৯০ কোটি ডলার সুদ বা দায় পরিশোধের কথা ছিল। কিন্তু মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় রাশিয়ার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যবহার করে সেই দায় বা সুদ পরিশোধ করতে দেয়নি। পরে বিশেষ হিসাব খুলে সেখানে সমপরিমাণ রুশ মুদ্রা রুবল জমা রেখে বন্ডের সুদ অর্থ পরিশোধের চেষ্টা করে রাশিয়া।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, রাশিয়ার অর্থ পরিশোধের ক্ষমতা আছে। কারণ, জ্বালানি বিক্রির মাধ্যমে দেশটি বিলিয়ন বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে। কিন্তু সাম্প্রতিক পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞায় দেশটির প্রায় অর্ধেক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ জব্দ অবস্থায় আছে।
সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাশিয়ার অর্থমন্ত্রী সিলুয়ানভ বলেন, ডলার ও রুবল উভয় মুদ্রা ব্যবহার করে আমরা দায় পরিশোধের চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু পারছি না। পশ্চিমা দেশগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে আমাদের ঋণখেলাপি করতে চাচ্ছে।

খবর রয়টার্সের