আজ এনবিআর ভবন ও রাজস্ব সম্মেলন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীডলার–সংকটের কারণেই আইএমএফের কাছে যেতে হয়েছে :সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ারআন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের অনুমোদন করা ঋণ পেতে বাংলাদেশকে মোটা দাগে পাঁচ ধরনের সংস্কারকাজ করতে হবেপাকিস্তান: ৪৮ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির সংকটে জর্জরিত দেশটিচলতি অর্থবছরে এনবিআর লক্ষ্যের মাত্র ৩৮ শতাংশ অর্জন করেছে
No icon

 অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হবে: আ হ ম মুস্তফা কামাল

দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক চলকগুলোর অবস্থান সন্তোষজনক। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আহরণ হয়েছে। চলতি অর্থবছরে সরকারের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। জাতীয় সংসদে আজ বৃহস্পতিবার উপস্থাপন করা চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের বাজেট বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদনে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রাজস্ব আয়, প্রবাসী আয় এবং রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) ব্যয়, ব্যাপক মুদ্রা সরবরাহ ইত্যাদি মৌলিক সামষ্টিক অর্থনৈতিক চলকসমূহের অবস্থান সন্তোষজনক। আমদানি-রপ্তানি আয় উভয় ক্ষেত্রেই ধনাত্মক প্রভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, করোনার পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নানা বিরূপ প্রভাব দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশও তা থেকে মুক্ত নয়। তবে বৈরী পরিস্থিতি মোকাবিলা করে দেশ সামষ্টিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সামনে এগিয়ে যেতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সংসদে অর্থমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯–পরবর্তী সময়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক হয়ে আসা এবং মধ্যবর্তী পণ্য ও মূলধনি যন্ত্রপাতির আমদানি বেড়ে যাওয়ায় আমদানি খরচ বিগত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে অনেক বেড়ে গিয়েছিল। তবে বর্তমানে বিলাস দ্রব্যের আমদানি পরিহার করা ও সরকারের কৃচ্ছ্রসাধনের কারণে আমদানি ব্যয় কমেছে। বিগত অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে আমদানি ঋণপত্র খোলা ৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ কমেছে। বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি সেপ্টেম্বর ২০২১–এর ৫ দশমিক ৫০ শতাংশের তুলনায় সেপ্টেম্বর ২০২২ সময়ে বেড়ে হয়েছে ৬ দশমিক ৯৬ শতাংশ। অন্যদিকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি সেপ্টেম্বর ২০২১-এর ৫ দশমিক ৫৯ শতাংশের তুলনায় সেপ্টেম্বর ২০২২ সময়ে ৯ দশমিক ১০ শতাংশ হয়েছে।

চলতি অর্থবছর রাজস্ব আহরণ আশানুরূপ হারে বাড়বে উল্লেখ করে মুস্তফা কামাল বলেন, আর্থিক খাতে খেলাপি ঋণের মাত্রা কমিয়ে আনাসহ আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা করা ও কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানোর মাধ্যমে বিনিয়োগের গতিধারা সমুন্নত রাখতে সরকার সচেষ্ট রয়েছে। তিনি বলেন, অপ্রয়োজনীয় ও বিলাস পণ্য আমদানির ওপর বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নেওয়া ও সরকারের কৃচ্ছ্রসাধন ব্যবস্থার কারণে চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিক থেকে আমদানির পরিমাণ অনেকটাই হ্রাস পাবে। এতে চলতি হিসাবে ভারসাম্যের ঘাটতিও কমবে।