
বর্তমানে প্রায় ৩৯ ধরনের সরকারি ও বেসরকারি সেবা গ্রহণে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে রয়েছে ২০ লাখ টাকার বেশি ঋণ গ্রহণ, ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন, পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যপদ নবায়ন, আবাসিক গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ, উচ্চমূল্যের সঞ্চয়পত্র ক্রয়, গাড়ির নিবন্ধন ও মালিকানা পরিবর্তন, হাসপাতাল ও ক্লিনিকের লাইসেন্স গ্রহণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম।
নতুন বাজেটের পর রিটার্নের গুরুত্ব আরও বাড়বে। অনেক ক্ষেত্রেই রিটার্ন কেবল কর প্রদানের দলিল নয়, বরং নাগরিকের আর্থিক পরিচয়ের অন্যতম প্রমাণপত্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে।