সংকটে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট রিপাবলিক ব্যাংকডিজেল রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্ক বাড়িয়েছে ভারত৮ মাসে রাজস্ব ঘাটতি ২২ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকাআগামী মাস থেকে রপ্তানি আয়ও কমবেকর আদায় ব্যবস্থা সহজ করতে চায় এনবিআর
No icon

৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন

৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করে আইএমএফ যা বলল বাংলাদেশের জন্য ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বলেছে যে এই ঋণ দেশটির সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা অক্ষুন্ন রাখা, দুর্বলকে সুরক্ষিত করা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও পরিবেশ সম্মত প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়তা করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন থেকে গতকাল আইএমএফ জানায়, সংস্থাটির নির্বাহী পর্ষদ বাংলাদেশের ঋণ আবেদন অনুমোদন করেছে এবং দেশটি সব মিলিয়ে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ পাবে। তবে এত দিন ধরে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল আইএমএফের কাছে ৪৫০ কোটি ডলারের ঋণ সহায়তা চাওয়া হয়েছে। গত বছরের ২৪ জুলাই ঋণ চেয়ে আইএমএফের কাছে চিঠি দেয় বাংলাদেশ। সেখানে পরিমাণের কথা উল্লেখ ছিল না। পরে ১২ অক্টোবর ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার ৪৫০ কোটি ডলারের ঋণসহায়তার কথা উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

ঋণ অনুমোদনের পর বিজ্ঞপ্তিতে আইএমএফ বলেছে, এক্সটেনডেড ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি (ইসিএফ) বা বর্ধিত ঋণসুবিধা ও এক্সটেনডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি (ইএএফএফ) বা বর্ধিত তহবিল সুবিধার আওতায় ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন বা ৩৩০ কোটি মার্কিন ডলার এবং নতুন গঠিত তহবিল রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি ফ্যাসিলিটির (আরএসএফ) আওতায় আরও ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন বা ১৪০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এই আরএসএফ তহবিলের ঋণ পাচ্ছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এই অনুমোদনের মধ্য দিয়ে এখনই বাংলাদেশকে ৪৭৬ মিলিয়ন বা ৪৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার ঋণ দেওয়া হবে। বাকি ঋণ ৪২ মাসের মধ্যে দেওয়া হবে।
মহামারি মোকাবিলা করে বাংলাদেশে দ্রুতগতিতে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার হয়েছিল বলে আইএমএফ উল্লেখ করেছে। সংস্থাটি বলেছে, ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়া যুদ্ধ শুরু করলে এই পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। এতে বাংলাদেশের চলতি হিসাবের ঘাটতি বেড়ে যায়। টাকার দরপতন হয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যায়। বাংলাদেশ সরকার সামগ্রিকভাবে এই অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় সমন্বিত ব্যবস্থা নেয়।