আজ এনবিআর ভবন ও রাজস্ব সম্মেলন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীডলার–সংকটের কারণেই আইএমএফের কাছে যেতে হয়েছে :সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ারআন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের অনুমোদন করা ঋণ পেতে বাংলাদেশকে মোটা দাগে পাঁচ ধরনের সংস্কারকাজ করতে হবেপাকিস্তান: ৪৮ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির সংকটে জর্জরিত দেশটিচলতি অর্থবছরে এনবিআর লক্ষ্যের মাত্র ৩৮ শতাংশ অর্জন করেছে
No icon

বাড়িতে বসেই এবার মোটা টাকা আয় করতে পারবেন গৃহবধূরা

বাড়িতে বসেই এবার মোটা টাকা আয় করতে পারবেন গৃহবধূরা, দেখে নিন কী করতে হবে। নারী ক্ষমতায়নের অন্যতম অঙ্গ নারীর অর্থায়ন। এমন কথা তো শোনা যায় হামেশাই। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় নারীর উপার্জিত অর্থ ব্যয়িত হয় নানা দিকে। সঞ্চয় বা বিনিয়োগের বিষয়ে ভারতবর্ষের বেশির ভাগ মহিলাই তেমন সচেতন নন। অথচ, একজন মহিলাই একটি পরিবারের মেরুদণ্ড। তিনিই সংসার খরচ বাঁচিয়ে চলেন, সামান্য জমাও করেন। তবে নিজের রোজগারে বিনিয়োগ করা আজও তেমন প্রচলিত নয় মহিলাদের মধ্যে। নতুন করে রোজগারের কথাও ভাবতে পারেন তাঁরা।
১. জরুরি প্রয়োজনের জন্য সঞ্চয়

মুষ্টি সঞ্চয়ের কথা রয়েছে ভারতের নানা প্রাচীন প্রবাদে, পাঁচালিতে। সে ভাবেই সামান্য অর্থও সঞ্চয় করতে পারেন গৃহকর্ত্রীরা। যদি কারও একটি সেভিং অ্যাকাউন্ট থেকে থাকে, তা হলেই তিনি প্রধানমন্ত্রী জনধন যোজনা-র অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। এটি জিরো ব্যালান্স অ্যাকাউন্ট। অর্থাৎ প্রাথমিক ভাবে কোনও টাকা না রাখালেও অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। সঞ্চয় করা যায়। পাওয়া যায় সামান্য সুদও। প্রধানমন্ত্রী জনধন যোজনায় বিনামূল্য জীবন বিমা ও দুর্ঘটনা বিমার সুবিধা পাওয়া যায়।
২. বিমা প্রকল্প

জীবন বিমা খুবই জরুরি বিষয়। এমনও বলা হয় একটি জীবন বিমা ছাড়া ঘরের বাইরে পা দেওয়াই উচিত নয়। মেয়াদের মধ্যে কোনও ব্যক্তির মৃত্যু হলে তাঁর মনোনীত ব্যক্তি ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন।

৩. বিনিয়োগ

শুধু সঞ্চয় করলেই হবে না। যে টকু টাকা সঞ্চয় আমানতের থেকে সুদ হিসেবে পাওয়া যায়, তার সবটাই প্রায় বেরিয়ে যাবে মুদ্রস্ফীতির দাপটে।

তাই সেভিংস অ্যাকাউন্টের পরিবর্তে ফিক্সড ডিপোজিট বা রেকারিং ডিপোজিটে টাকা রাখা ভাল। রোজগারের অর্থ তাতে যেমন নিরাপদ থাকবে তেমনই সুদেও বাড়বে। বয়স কম হলে আর ঝুঁকি নেওয়ার ইচ্ছে থাকলে ইক্যুইটি মিউচুয়াল ফান্ডেও বিনিয়োগ করা যায়। ৫-৭ বছর অপেক্ষা করলে ভাল মূল্য ফেরত পাওয়া যেতে পারে।

৪. বাড়ি থেকে কাজ

সামান্য লেখাপড়া জানলেই বাড়িতে বসে নানা রকম কাজ করা যেতে পারে। ফ্রিলান্স লেখালিখি, গ্রাফিক ডিজাইনিং-এর কাজ করেও ভাল রোজগার করা যায়। গৃহশিক্ষকতা বা নাচ, গান শিখিয়েও রোজগার করা সম্ভব।
৫. ফিনানসিয়াল এডুকেশন

কী ভাবে অর্থ সঞ্চয় করতে হবে, কোথায় বিনিয়োগ করতে হবে, এবিষয়ে জ্ঞান লাভ করা খুবই দরকার। ফলে যে কোনও সময় এই বিষয়গুলি নিয়ে পড়াশোনা করা যেতে পারে। তার ফলে কোনও আপৎকালীন পরিস্থিতিতে সমস্যা হবে না।